what is webpage
ওয়েবপেজ
ইন্টারনেট
তথা ওয়েবে তথ্য (লেখা,
অডিও, ভিডিও, স্থির
চিত্র, অ্যানিমেশন ইত্যাদি)সংবলিত পেজ রাখা যায় । বর্তমানে
সারা বিশ্বে ব্যাক্তি এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তাদের তথ্য ওয়েবে পরিবেশন করছে ।
ওয়েবে এরূপ কোন তথ্য রাখার পেজকে ওয়েবপেজ বলে । সরাসরি এইচটিএমএল এর মাধ্যমে বা
অন্যকোন টুলস দারা ওয়েবপেজ তৈরি করা যায় । ব্রাউজারের মাধ্যমে ওয়েবপেজকে প্রদর্শন
করা যায় । একটি ওয়েবসাইটের যে কোন একটি সিঙ্গেল পেজকে ওয়েবপেজ বলে ।
ইন্টারনেট কি ?
ইন্টারনেট
হচ্ছে কম্পিউটার নির্ভর বৈশ্বিক তত্ত্ব পদ্ধতি। পরস্পর সম্পর্ক যুক্ত অনেকগুলো
কম্পিউটার কেন্দ্রিক নিরবিচ্ছিন্ন্য নেটওয়ার্কের সমষ্টিই হচ্ছে ইন্টারনেট। প্রতিটি
নেটওয়ার্কের সাথে শত শত অথবা হাজার হাজার কম্পিউটার যুক্ত থাকে, এগুলোর একটি অন্যটির সাথে
গননাকারী তথ্য যেমন শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার সমূহ এবং তথ্যের উপাত্তভান্ডার আদান
প্রদান সক্ষম করে। ইন্টারনেট বিশ্বব্যাপী মানুষকে ফলপ্রসূভাবে এবং সূলভে একে
অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করেছে। সনাতনী প্রচার মাধ্যম সমূহ যেমন রেডিও,
টেলিভিশনের মতই ইন্টারনেটের কোন কেন্দ্রীভূত সরবরাহ পদ্ধতি নেই। তার
পরিবর্ত যে কোন ব্যক্তি যারা ইন্টারনেটে সংযুক্তি আছে সে সরাসরি অন্য যে কোন
ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে, অন্যের জন্য তথ্য সরবরাহ
করতে, অন্যের দেয়া তথ্য সংগ্রহ করতে অথবা উৎপাদিত পন্যসমূহ
কম মুল্যে বিক্রি করতে পারে। তথ্য খোঁজার পাতা হচ্ছে একটি প্রোগ্রাম যেমন
মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, ফায়ারফক্স,
অপেরা, গুগল ক্রম যা কম্পিউটারের তথ্যাদির
পৃষ্ঠ, চিত্র, রেখাচিত্র, শব্দ চলমান ছবি ও মডেলসমূহ উপস্থাপন করে।
ওয়েবসাইট কী
একই
ডোমেইনের অধীনে একাধিক ওয়েবপেজের সমষ্টিই ওয়েবসাইট ।
ওয়েবসাইটে প্রথম ঢুকলে যে পেজটি প্রদর্শিত হয় সেটিকে হোমপেজ বলা হয় । সারা বিশ্বে প্রতিদিন হাজার হাজার ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে । ইন্টারনেটে একটি ওয়েবসাইট খুলতে যা যা করতে হয়ঃ
১। প্রথমত একটি ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ।
২। ভালো মানের হোস্টিং ভাড়া নিতে হবে ।
৩। ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হবে ।
ওয়েবসাইটে প্রথম ঢুকলে যে পেজটি প্রদর্শিত হয় সেটিকে হোমপেজ বলা হয় । সারা বিশ্বে প্রতিদিন হাজার হাজার ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে । ইন্টারনেটে একটি ওয়েবসাইট খুলতে যা যা করতে হয়ঃ
১। প্রথমত একটি ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ।
২। ভালো মানের হোস্টিং ভাড়া নিতে হবে ।
৩। ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হবে ।
ওয়েবসাইট থাকার সুবিধা
বর্তমানে
ইন্টারনেটের এ যুগে সবচেয়ে স্বল্প খরচে তথ্য প্রকাশ করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম
ওয়েবসাইট ।
ওয়েবসাইটের বহু সুবিধা রয়েছে । যেমন -
১। স্বল্প ব্যয়ে কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসার প্রসারের জন্য ওয়েবসাইট ব্যাবহার করতে পারে ।
প্রিন্ট মিডিয়ার চেয়ে অনেক কম খরচে আকর্ষণীয় সাইট তৈরি করা যায় ।
২। ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য যে কেও যেকোন স্থান থেকে যে কোন সময় দেকতে পারে ।
৩। ওয়েবসাইটে তাৎক্ষনিক তথ্য প্রকাশ করা যায় ।
৪। ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ডাউনলোড করা যায় ।
৫। ওয়েবসাইটে লেখা, অডিও, ভিডিও, স্থির চিত্র, অ্যানিমেশন ইত্যাদি যুক্ত করা যায় ।
এছাড়াও আরও অনেক কাজ করা যায় ।
ওয়েবসাইটের বহু সুবিধা রয়েছে । যেমন -
১। স্বল্প ব্যয়ে কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসার প্রসারের জন্য ওয়েবসাইট ব্যাবহার করতে পারে ।
প্রিন্ট মিডিয়ার চেয়ে অনেক কম খরচে আকর্ষণীয় সাইট তৈরি করা যায় ।
২। ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য যে কেও যেকোন স্থান থেকে যে কোন সময় দেকতে পারে ।
৩। ওয়েবসাইটে তাৎক্ষনিক তথ্য প্রকাশ করা যায় ।
৪। ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ডাউনলোড করা যায় ।
৫। ওয়েবসাইটে লেখা, অডিও, ভিডিও, স্থির চিত্র, অ্যানিমেশন ইত্যাদি যুক্ত করা যায় ।
এছাড়াও আরও অনেক কাজ করা যায় ।
ওয়েবসাইট আমাদের কি কি কাজে লাগে?
এবং কেন ব্যবহার করব?
আজকে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো সেটি ওয়েবসাইট নিয়ে। আজকাল
ইন্টারনেট বিস্তৃতির সাথে সাথেই ওয়েবসাইট এর ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। বাণিজ্য
ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের উপর লোকজন অনেকটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।এখন এটা জানা অত্যন্ত
জরুরী যে ব্যবসার উন্নয়নে ওয়েবসাইট কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং কীভাবে
একটি ওয়েবসাইট আপনার ব্যবসাকে আরও উন্নত এবং আপনাকে আরও লাভবান করবে। আসুন জেনে
নেওয়া যাক
১. একটি শক্তিশালী মার্কেটিং মাধ্যমঃ
বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ কিছু ক্রয় বিক্রয়ের আগে সেই দ্রব্য এবং কোম্পানি সম্পর্কে জানার জন্য ইন্টার্নেটে সেই কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন।এমনকি কেউ যদি দ্রব্যটি নাও কিনতে চান তবু তারা দ্রব্য এবং কোম্পানি সম্পর্কে কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পছন্দ করেন। এভাবে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব দ্রুত ও সহজেই যেকোন ব্যবসা মানুষের কাছে পরিচিতি পাচ্ছে ও আস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে।২. সকলের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য দ্রুত ও সহজতর উপায়ঃ
মূলত যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকে তবে ক্রেতা,দয়িত্বশীল কর্মচারী,ব্যবসায়িক সহকর্মী,এমনকি বিনিয়গকারী পর্যন্ত আপনার ব্যবসা সম্পর্কে যে কোন সময় পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে বসে খুব দ্রুত ও সহজেই জানতে পারবেন ও যোগাযোগ করতে পারবেন।
৩. ব্যবসার মান উন্নত করাঃ
বর্তমানে এমন কিছু নেই যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্রয় বা বিক্রয় করা যায় না এবং এর হার দিনদিন বেড়েই চলেছে। বই থেকে শুরু করে মুদির দোকানের জিনিসপত্র কিংবা রিয়েলস্টেটের মত দামী উপকরণও এখানে কেনাবেচা চলছে।যে কোন ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যক্তি তার ব্যবসাকে আরও উন্নত ও আধুনিকায়ন করতে ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন।এতে ব্যবসা আরও দ্রুত প্রাণবন্ত ও জীবন্ত হয়ে উঠে।
৪.বাজারের অন্য সকল ব্যবসার সাথে প্রতিযোগিতায় নিয়ে আসাঃ
বর্তমানে বেশিরভাগ দায়িত্বশীল কোম্পানির নিজস্ব ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট রয়েছে।তাই যদি আপনার ব্যবসার নিজস্ব কোন ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট না থাকে তো আপনার ব্যবসা অন্য সেই সকল ব্যবসা থেকে পিছিয়ে পড়বে যাদের নিজস্ব ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট রয়েছে।
৫. আন্তর্জাতিক ভাবে লেনদেন এবং পরিচিতির অন্যতম মাধ্যমঃ
আধুনিক বিশ্বে বহু আগে থেকেই ওয়েবসাইটের প্রচলন রয়েছে।বর্তমানে বাংলাদেশের জন্যেও এটি একটি সম্ভবনাময় ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।বড় বড় কর্পোরেশন ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলো আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য ও পরিচিতি লাভের জন্য ওয়েবসাইটকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।
৬. ক্রেতাকে প্রভাবিত করার অন্যতম উপায়ঃ
যদি আপনার একটি ছোট বা বড় ব্যবসা থাকে তো নি:সন্দেহে আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন। যদি আপনার কোন ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট না থাকে তাহলে ক্রেতা ধরেই নিতে পারেন এটি একটি সল্প সাময়িক কোম্পানি এবং আপনি আপনার ব্যবসা সম্পর্কে সচেতন বা দায়িত্বশীল নন।এভাবে আপনি ক্রেতাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারাতে পারেন।একটি ওয়েবসাইট আপনার ব্যবসা সম্পর্কে মানুষের মনে আস্থা গড়ে তুলতে পারে।তাই বলা যেতেই পারে আপনার সাইটটিই হতে পারে কোন ক্রেতাকে আকর্ষণ করার প্রথম সুযোগ ও অন্যতম উপায়।
6 steps to develop a website:
1.
Concept Creation
2.
Layout Design
3.
Website Design/Front End Development
4.
Website Development/Back End Development
5.
Data Input
6.
Marketing
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন